কেন আমরা আলাদা? জানুন আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
পবিত্র কুরআন ছহিহ্ শুদ্ধভাবে পড়ার ব্যবস্থা।
পূর্ণাঙ্গ দ্বীনি আমল ও আখলাক অনুশীলনের চমৎকার সুযোগ। প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত পোশাকে উপস্থিত হতে হবে।
বোর্ডের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদান।
আরবি ও ইংরেজি ভাষা শেখার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ।
সরাসরি চট্টগ্রাম নূরানী শিক্ষা বোর্ড হতে পরিচালিত
হাতের লেখা সুন্দর করার বিশেষ ব্যবস্থা
সিসি ক্যামেরা দ্বারা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও ক্লাস পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা।
নিজস্ব জেনারেটরের সু-ব্যবস্থা
"আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ সুবহানাহু তা’য়ালার জন্যে যিনি বিশ্বজাহানের রব। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তাঁর আহাল এবং সাহাবিগণের ওপর। আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা জীন ও মানব জাতিকে শুধুমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্যেই সৃষ্টি করেছেন। আর ইবাদতের পূর্বশর্ত ইলম বা দ্বীনি জ্ঞান। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ২ (দুই) ভাগে বিভক্ত। (১) ইলমেদ্বীন শিক্ষায় শিক্ষিত সামান্য ব্যতিক্রম বাদে অধিকাংশ মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ শুধুমাত্র আখিরাতের সফলতার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। (২) জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত শুধু দুনিয়ার সফলতার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কিন্তু কুরআন ও হাদিসের জ্ঞান ছাড়া দুনিয়া ও আখিরাতের কোথাও সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। যে শিক্ষা ব্যবস্থা একসাথে দুনিয়ার জীবনের সফলতা এবং আখিরাত জীবনের সফলতা অর্জন করতে শেখায় তাই হল পরিপূর্ণ শিক্ষা। একজন মুসলমানের উচিত তার সন্তানকে এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে সে উভয় জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে। এজন্য হক্কানী ওলামায়ে কেরামগণ বলেন, ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার বানানো নিষেধ নয়। দুনিয়াতে প্রত্যেকটি কাজের সাথে যদি দ্বীন থাকে তবে ঐ কাজটাই হবে ইবাদত। কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে দুনিয়াবি ডিগ্রি অনেক আছে অথচ ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত গুলো জানে না। তাই হাটহাজারী মাদ্রাসা ও আমাদের ওলামায়ে কেরামগণ গবেষণা করে এই নূরানী শিক্ষা পদ্ধতি তৈরী করেছে। যার মাধ্যমে শুধুমাত্র ৩য়-৫ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়লেই কিন্ডার গার্টেন প্রতিষ্ঠানের মত আরবি, বাংলা, ইংরেজি, গণিত শিক্ষার পাশাপাশি জরুরি মাসআলা-মাসায়েল সহ ৭০টি হাদিস, সূরা ইয়াসিন, সূরা ওয়াকোয়াহ্, সূরা মূলক মুখস্থকরণ। কুরআনে কারীম সম্পূর্ণ ছহিহভাবে পড়া ও লেখার মাধ্যমে শিখতে পারবে। এবং এই সন্তানটি পরবর্তীতে আমি স্কুলে ভর্তি করে জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারবো ইন্শাআল্লাহ। ফলে আপনার সন্তানটি সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে দেশ ও জাতিকে একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিবে। দক্ষিণাঞ্চলে এ ধরণের অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। যার সুফল আমরা পাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধা জেলার বিশিষ্ট ওলামাগণের সু-পরামর্শে শহরের প্রাণকেন্দ্রে ডাক বাংলা মোড় সাদুল্লাপুর রোডস্থ “মিফতাহুল উলূম নূরানী মাদ্রাসা” নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহ তা’য়ালার কাছে কামনা করি তিনি যেন আমাদের প্রচেষ্টাকে কবুল করেন। আমিন।"
"আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা ও নৈতিক চরিত্রের সমন্বয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।"
বর্তমান শিক্ষার্থী
দক্ষ শিক্ষক
সাফল্যের হার (100%)
গৌরবময় পথচলা (বছর)